রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
কাজিপুরের ঐতিয্যবাহি পাটের হাট নাটুয়ারপাড়ায় এখনও নৌকার উপরে পাট কেনা বেচা হয়। তবে এ বছর পাটের দামে কৃষকগণ তেমন খুঁশি নন বলে জিজ্ঞাসাবাদে কৃষকগণ উল্লেখ করেছেন। প্রতিমন ভালো জাতের তোষা পাট ২২ থেকে ২৫ শ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।
কৃষকগণ জানান এ দামে পাট বিক্রি করে তাঁদের উৎপাদন খরচও ওটে না। গত ৪ অক্টোবর বুধবার সরেজমিনে গিয়ে হাট কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম জানান গত প্রায় ৫০ বছর ধরে হাটটির বর্তমান অবস্থান হতে প্রায় দেড় কিঃ মিঃ পঞ্চিমে বর্তমান প্রবাহমান যমুনার মধ্যেবত্তি স্থানে হাটটির অবস্থান ছিল।
যমুনার ক্রমাগত ভাঙ্গনের কারণে হাটটি অবস্থান পরিবর্তন করে যমুনার পাড় ঘেঁসে বর্তমান অবস্থান নাটুয়ারপাড়ায় রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়িরা জানান হাটটি ইতিমধ্যে রবি মৌসুমের বিভিন্ন ফসল যেমন ,ধান ,পাট, মরিচ, ভুট্টা, তিল তিষি, বিভিন্ন জাতের কালাই,সহ পলি অধ্যুষিত চরেরউর্বর মাটিতে নানা ফসলের সমারহের কারণে এবং নদীর তীরবত্তি হওয়ায় পরিবহনগত সুবিধার কারণে সারা বছরই হাটে বিপুল পরিমান রবি মৌসুমের পণ্য সামগ্রি বেচা কেনার কারণে হাটটি ব্যপকভাবে সারা বছরই ক্রেতাবিক্রেতায় মুখরিত থাকে। নাটুয়ারপাড়া হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক ও হাট কমিটির সদস্য মোঃ সেলিমের সাথে কথা বলে জানা গেছে,কাজিপুরের যমুনার পূর্বপারের ৬ টি ইউনিয়ন ছাড়াও পাশ্ববত্তী, ধুনট, সারিয়াকান্দি,বগুড়া,জামালপুর, সরিষাবাড়ি, ভুয়াপুর সিরাজগঞ্জ সদর থেকে কৃষকগণ তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য এই হাটে ক্রয়Ñবিক্রয়ের জন্য আনা নেয়া করে থাকে।
এ কারণে হাটটির ক্রয়-বিক্রয় কর্মকান্ড অনেক বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ি ও মহাজন রা তাদের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এই হাটে আসছেন। এদিকে হাট কমিটির লোকজনের অভিযোগ সরকার এই হাট থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা রাজস্ব পেলেও আজঅবধি হাটের কোন নিজস্ব জমি না থাকায় কমিটিকে বছরে অনেক টাকা জমির মালিকদের পরিষদ করতে হয়।
এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী জানান নদী ভাঙ্গনের কারণে হাটটির অবস্থান ক্রমাগত পরিবত্তিত হয় এছাড়া হাটটির সম্পত্তি ও বেশীরভাগ ব্যাক্তিগত কাজেই ইচ্ছা থাকলেও সরকারীভাবে তেমন উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়দের আবেদন সরকারী সহযোগিতা পেলে এই হাটের রাজস্ব আরও বৃদ্ধি পেত।